শরীয়তপুর সদরের তুলাসার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে নৌকার বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থক জাকির হোসেন কোতয়ালের ওপর হামলার ঘটনায় শরিয়তপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন অপুকে জড়িয়ে মিথ্যাচার করছে একটি কুচক্রি মহল।

জানা গেছে, মঙ্গলবার (১৭ নভেম্বর) ব্যক্তিগত পূর্ব শত্রুতার জেরে জাকির হোসেন কোতয়ালের ওপর একদল দুর্বৃত্তরা হামলা চালায়। এতে জাকির হোসেন কিছুটা আহত হন। এ ঘটনায় জাকির হোসেনের মা মনোয়ারা বেগম বাদী হয়ে সেদিন রাতেই শরীয়তপুর সদরের পালং মডেল থানায় একটি মামলা করেন। এতে মোট আটজনকে আসামি করা হয়। এ পর্যন্ত মামলার ২ জন আসামিকে গ্রেফতারও করে পুলিশ। কিন্তু এই ঘটনায় স্থানীয় সংসদ সদস্যকে জড়িয়ে চালানো হচ্ছে অপপ্রচার। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে সাংসদ ইকবাল হোসেন অপু বলেন, এখন আমি ঢাকায় আছি। ঘটনার সময় আমি শরীয়তপুরে ছিলাম না। তাই সেখানে কী ঘটেছিল, সেটা জানি না। আমাকে কেন এসব ঘটনায় জড়ানো হচ্ছে সেটি বুঝতে পারছি না। তবে এতটুকু বুঝতে পারছি আমার বিরুদ্ধে একটি কুচক্রী মহল ষড়যন্ত্রে লিপ্ত হয়ে মিথ্যাচার করছে। 

ঘটনার বিস্তারিত জানতে চাইলে পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. আক্তার হোসেন বলেন, জাকির হোসেনের মামলার ঘটনায় ২ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে এখানে ভিকটিমের পূর্ব শত্রুতার জেরে কেউ হয়তো তাদের ওপর হামলা চালিয়েছে। তবে এমপি সাহেবের বিষয়ে মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। তদন্তে তার কোন সংশ্লিষ্টতার তথ্য এখনো পাইনি।   

জাকির হোসেনের পায়ে গুলি লাগার বিষয়ে প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, হামলার পর আমরাই তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেছি। তার পায়ে কোন গুলির চিহ্ন নেই। এগুলো মিথ্যা অপপ্রচার ছড়ানো হচ্ছে। এ ঘটনায় বাকি অভিযুক্ত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।

শরিয়তপুর সদর হাসপাতালের আরএমও সুমন পোদ্দার বলেন, জাকির নামে একটা রোগী ইমারজেন্সিতে ভর্তি হয়েছিল। কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে কিছু টেস্ট করতে বলেন। তারপর তারা কিছুক্ষণ হাসপাতালে ছিল। কিন্তু টেস্টগুলো না করেই তারা রেফার নিয়ে ঢাকাতে চলে যায়।