আমাদের দেশে অতি লোভী দুয়েকজন গরু ব্যবসায়ীর কারণে সীমান্তে হত্যার মতো ঘটনা ঘটছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শ‌নিবার (১৭ জুলাই) সকাল ১০টায় চট্টগ্রামের সাতকানিয়ার বায়তুল ইজ্জতে বি‌জি‌বির ঐতিহ্যবাহী প্রশিক্ষণ প্রতিষ্ঠান বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে ৯৬তম রিক্রুট ব্যাচের নবীন সৈনিকদের প্রশিক্ষণ সমাপণী কুচকাওয়াজ পরিদর্শন ও অভিবাদন গ্রহণ শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে একথা বলেন তিনি।

সীমান্ত হত্যা শূন্যে নামিয়ে আনার ব্যাপারে ভারতের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও কেন বন্ধ হচ্ছে না জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, সীমান্ত দিয়ে চোরাচালান বন্ধের জন্য আমরা যথেষ্ট তৎপর রয়েছি। সীমান্তে বিওপি বাড়ানো হয়েছে। আমরা বর্ডার সার্ভিলেন্স সিস্টেম উন্নত করেছি। শুধু তাই নয়, আধুনিক ইক্যুইপমেন্ট, যান সংযোগ করেছি। যা যা প্রয়োজন তা দিয়েই বিজিবিকে সমৃদ্ধ করছি। চোরাচালান বন্ধের পাশাপাশি আমরা সীমান্ত হত্যা বন্ধেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

তিনি বলেন, সীমান্তে হত্যার ঘটনা ঘটে। মন্ত্রী পর্যায়ে ও বিজিবি বিএসএফ পর্যায়ে কথা হচ্ছে। আমরা মনে করি খুব শিগগিরই মারণাস্ত্র ব্যবহার করব না। কারণ দুইপক্ষই প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সেই জায়গাটাতে আমরা যেন প্রতিশ্রুতি মেনে চলি তাহলে সীমান্ত হত্যা বন্ধ হবে।

গতবার যখন আমি ভারতে গিয়েছিলাম, ভারতের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আমাকে বললেন, আমরা তোমাদের আর গরু দেব না। আমি বলেছিলাম আলহামদুলিল্লাহ, আমাদের লাগবেও না, আমরা সমৃদ্ধ। তবুও দুয়েকজন অতি উৎসাহী গরু ব্যবসায়ীর কারণে সীমান্তে দুর্ঘটনা খুনের ঘটনা ঘটে।

বিজিবির মহাপরিচালক মেজর জেনারেল মো. সাফিনুল ইসলাম বলেন, যেসব সীমান্তে আমরা একসময় যেতে পারতাম না, সেখানে এখন নিয়মিত টহল করতে পারছি। অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপারের প্রবণতা অনেক কমেছে। মহেশপুর, সাতক্ষীরা, চুয়াডাঙ্গা সীমান্তে যারাই পার হতে যাচ্ছে, অতিরিক্ত টহলের জন্য ধরা পড়ছে। এটা চলমান প্রক্রিয়া।’