মিয়ানমারে সেনা অভ্যুত্থানের পর দেশটিতে শান্তি ও স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠার আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ।

সোমবার দুপুরে এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এই আহ্বান জানায়।

সেই সঙ্গে আশা প্রকাশ করে বলা হয়েছে, প্রতিবেশী দেশটির সঙ্গে রোহিঙ্গা শরণার্থীদের স্বেচ্ছায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া চলমান থাকবে।

বিবৃতিতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আরও বলেছে, ‘আমরা আশা করছি মিয়ানমারে গণতন্ত্র ও সংবিধান সমুন্নত রাখা হবে।’

‘মিয়ানমারের সঙ্গে পারস্পরিক কল্যাণমূলক সম্পর্ক উন্নয়নে আমরা বদ্ধপরিকর। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা ভিত্তিতে নিরাপদ এবং টেকসই প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছি আমরা’ এতে যোগ করা হয়।

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘আমরা আশা করছি যে, এই প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবে।’

সোমবার ভোরে মিয়ানমারে সামরিক অভ্যুত্থান হয়েছে। অং সান সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্রেসির (এনএলডি) বেসামরিক সরকার উৎখাত করে ক্ষমতা দখল করেছে সেনাবাহিনী।

মিয়ানমারের স্টেট কাউন্সিলর অং সান সু চি ও প্রেসিডেন্টকে গ্রেপ্তারের পর ক্ষমতা গ্রহণ ও জরুরি অবস্থা জারির ঘোষণা দেয় সেনাবাহিনী।

উল্লেখ্য, মিয়ানমারের রাখাইনে দেশটির সেনাবাহিনীর অভিযানের মুখে বছর কয়েক আগে সাত লাখের বেশি রোহিঙ্গা বাংলাদেশ আশ্রয় নেয়। আগে থেকেই বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়ে আছে তিন লাখের বেশি রোহিঙ্গা।

এসব রোহিঙ্গাদের নিজ দেশে প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকারের সঙ্গে দেনদরবার করে আসছিল বাংলাদেশ। এখনে দেশটিতে ফের সামরিক জান্তা ক্ষমতা দখলে নেওয়ায় প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া নিয়ে অনিশ্চয়তার সৃষ্টি হয়েছে।