সিকদার মোহাম্মদ বাবু(মির্জাপুর প্রতিনিধি): উন্নয়নের মহাসড়কের যাত্রী এখন আমরা।বর্তমান সরকারের হাজারো উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ও দক্ষ পরিচালনায় বাংলাদেশ উন্নয়নের রোল মডেলের স্বীকৃতি পেয়েছে। মেট্রোরেল, পদ্মাসেতুর মত প্রজেক্টে বহির্বিশ্ব চোখ ছানাবড়া হয়েছে।রাস্তাঘাটে এসেছে বৈপ্লবিক পরিবর্তন।এত পরিবর্তন কখনও কখনও ক্ষুদ্র পরিবর্তন না পাওয়া মানুষের কাছে অর্থহীন-অকার্যকর হয়ে থাকে।

মির্জাপুরের আজগানা ইউনিয়নের খাটিয়ার বাজার থেকে সাতকুড়া বাজার পর্যন্ত প্রায় ২ কি. মি. রাস্তা ও গায়রাবেতিল থেকে খাটিয়ার বাজার পর্যন্ত ১.৫ কিমি রাস্তা চাক্ষুষ প্রমাণ।অথচ এই ৩/৪ কিমি রাস্তা পাকা হলে কতটা পরিবর্তন আসবে তা লিখে শেষ করা সময়সাধ্য।

বাঁশতৈল,নয়াপাড়া,গায়রাবেতিল,কাহর্তা,সাতকুড়া,তেলিনা,মাটিয়াখোলা ও পার্শ্ববর্তী অনেক গ্রামের হাজারো বাসিন্দাদের মৌলিক অধিকার রক্ষায় উল্লেখিত রাস্তার কোন বিকল্প নেই। 

বৃষ্টি হলেই রাস্তা দিয়ে চলাচল করা একেবারেই অনুপযোগী হয়ে পড়ে। ফলে নানাভাবে ক্ষতিগ্রস্ত  হচ্ছে উক্ত এলাকার কৃষক, ব্যবসায়ী, ছাত্র ছাত্রী ও সকল প্রকারের মানুষ।বর্ষা মাস এলেই মনে অঘোষিত গৃহবন্দী জীবন ।কাদার কারণে বাহিরে বের হতে চাওয়া  অনেকটা ইংলিশ চ্যানেল পারি দেবার মতো ।জরুরীভাবে রোগীকে হাসপাতালে নিতে কতটা সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় তা কেবল ভুক্তভোগীই জানেন।আর শুকনো মৌসুমে ধুলায় মেখে যায় সবকিছু।যেন ধুলার রাজ্যের পদদলিত বাসিন্দা।কিন্তু কেন?-প্রশ্ন হাজারো অবহেলিত জনগোষ্ঠীর। 

প্রশ্ন আরো- আমাদের এই রাস্তা কি কখনোই হবে না?প্রশ্ন আক্ষেপের - এই রাস্তার দিকে কি কারো নজর আছে বা কারো নজর পরবে ?

দুর্ভোগের বিষয়টি সাধারণ মানুষ থেকে কর্তাব্যক্তিদের সবারই জানা কিন্তু দায়িত্ববানদের নিশ্চুপ থাকাটা বোধগম্য নয়।

স্থানীয় জনপ্রতিনিধি থেকে সংশ্লিষ্ট কেউই এর ভালো উত্তর দিতে পারবে বলে মনে হয় না।