ঢাকা মহানগর দক্ষিণ ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি বায়েজিদ আহমেদ খানকে পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা অবাঞ্চিত ঘোষনার পাশাপাশি বহিস্কার চেয়ে আওয়ামী লীগে সাধারণ সম্পাদকের কাছে আবেদন করেছে।

আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় আইন উপ কমিটির সদস্য হয়েছেন বায়েজিদ আহমেদ খান। এই কমিটি থেকে বহিস্কার চেয়ে উপজেলা আওয়ামী লাগাতার মিছিল, বিক্ষোভ সমাবেশ, মানববন্ধন করেছে কয়েক দফা।

জানা যায়, ৬ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যার পর পিরোজপুর জেলার মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগ নেতারা আওয়ামী লীগের সভাপতিমন্ডরীর সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের ধানমন্ডির রাজনৈতিক অফিসে সৌজন্য সাক্ষাৎ করতে যান। সাক্ষাৎ শেষে অফিসের নিচে নামলে বায়জিদ আহমেদ খানের নেতৃত্বে ২৫/৩০ জন মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর সহ আওয়ামী লীগের সিনিয়র কয়েকজন নেতা, যুবলীগ, ছাত্রলীগ নেতাদের উপর হামলা চালায়।

এতে মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর আহত হন। আসপাশের লোকজন এগিয়ে আসলে বায়জিদ সহ হামলাকারীরা ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর দৌড়ে জাহাঙ্গীর কবির নানকের কক্ষে যায়। নানক তার সিসি ক্যামেরায় হামলার বিষয়টি দেখে ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

পরে মঠবাড়ি আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বরাবর লিখিত অভিযোগ দেন। মঠবাড়ীয়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি রফিউদ্দিন আহমেদ ফেরদৌস ও সাধারণ সম্পাদক আজিজুল হক সেলিম মাতুব্বর স্বাক্ষরিত লিখিত অভিযোগে বায়জিদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়াসহ বিচারের আওতায় আনার দাবি জানান।

এই হামলার প্রতিবাদে ও হামলাকারী বায়জিদ আহমেদ খানকে আওয়ামী লীগের আইন উপ কমিটির সদস্য পদ হইতে বহিষ্কারসহ দৃষ্টান্ত মূলক বিচারের দাবীতে ৬ সেপ্টেম্বর রাত থেকে মঠবাড়ীয়া উপজেলায় সভা, সমাবেশ, মিছিল, মিটিং, মানববন্ধন অব্যহত রয়েছে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বায়জিদ আহমেদ খান বলেন, “এই ঘটনার সময় আমি উপস্থিত ছিলাম না। এখানে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। প্রকৃতপক্ষে রাজনৈতিক প্রতিহিংসার কারণে আমার বিরুদ্ধে নানা অপপ্রচার চালানো হচ্ছে।”