আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে বিভিন্ন সংস্থা থেকে ভাসানচরের রোহিঙ্গাদের জন্য প্রায় দুই শতাধিক গরু পাঠানো হয়েছে। এসব গরু কোরবানি দেয়ার মধ্য দিয়ে ঈদ উদযাপন করবেন তারা।

কক্সবাজারের ক্যাম্পগুলো থেকে ভাসানচরে এ পর্যন্ত প্রায় সাড়ে ১৮ হাজার রোহিঙ্গা স্থানান্তর করা হয়েছে। ভাসানচরে স্থানান্তরিত রোহিঙ্গারা এই প্রথম ঈদুল আজহা পালন করবে।

ভাসানচরের আশ্রয়ণ-৩ প্রকল্পের পরিচালক কমডোর এম রাশেদ সাত্তার গণমাধ্যমকে জানান, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয় এবং এনজিও অ্যাফেয়ার্স ব্যুরো কয়েকটি দেশি-বিদেশি সাহায্য সংস্থাকে সম্পৃক্ত করে রোহিঙ্গাদের জন্য দুই শতাধিক গরু দিয়ে কোরবানির ঈদের আয়োজন করা হচ্ছে। ভাসানচরে রোহিঙ্গাদের প্রথম ঈদুল আজহা আনন্দে কাটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

ইসলামিক রিলিফের দেওয়া ১৩৫টি গরু ভাসানচরে পৌঁছেছে। গরু দেখে রোহিঙ্গারা আনন্দ মিছিল করেছে। মিছিলকারী রোহিঙ্গারা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি নিয়ে তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান।

প্রসঙ্গত, মিয়ানমার সেনাবাহিনীর গণহত্যার মুখে সেখান থেকে থেকে বাস্তুচ্যুত হয়ে আসা লাখ লাখ রোহিঙ্গার ঠাঁই হয়েছে কক্সবাজারের বিভিন্ন ক্যাম্পে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে কয়েক দফায় ১৮ হাজার ৫৫১ জন রোহিঙ্গাকে নোয়াখালীর ভাসানচরে স্থানান্তর করা হয়। সেখানকার দৃষ্টিনন্দন স্থাপনায় এক লাখ রোহিঙ্গা বসবাস করতে পারবে। স্থানান্তরিত রোহিঙ্গাদের মধ্যে পুরুষ চার হাজার ৪০৯ জন, নারী ৫ হাজার ৩১৯ জন, শিশু ৮ হাজার ৭৯০। ভাসানচরে জন্ম নিয়েছে ২৪৪ শিশু।