ধর্ষনের বিচার এমন কেহ নেই যে চায় না। আমরা ধর্ষনের বিচার চাই। যে কোন অন্যায় অপরাধের বিরুদ্ধে সচেতন জনগন রাজপথে, ভার্চুয়াল মিডিয়াতে, বিচারের দাবিতে প্রতিবাদ করবে এটাই স্বাভাবিক। আর রাষ্ট্রকে বিচারের দায়িত্ব নিতে হবে। সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে অপরাধীদের দৃষ্টান্তমুলক শাস্তি দিতে হবে। যাতে কেহ আর অপরাধ করার সাহস না পায়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেটের এম, সি কলেজ ও নোয়াখালীর ধর্ষন ও নারী নির্যাতনের ঘটনায়, সরকার ইতিমধ্যে মূল আসামীদের গ্রেফতার করে বিচারের মুখোমুখি করেছে।

আমাদের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার করা নির্দেশনা রয়েছে যে কোন অপরাধীকে অবশ্যই শাস্তি পেতে হবে। কোন অপরাধী পার পাবে না বলে তিনি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন প্রশাসনকে। তার প্রতিটি নজির আমরা দেখতে পেয়েছি দেশের আদালতের সুষ্ঠু  বিচারের রায়ের মাধ্যমে। তবে যে কোন অপরাধ হলে প্রতিবাদ হবে সেটা স্বাভাবিক। সেটা হতে পারে সোশ্যাল মিডিয়াতে,সাধারণ জনগন, বিভিন্ন সংগঠন ও শিক্ষার্থীদের মানববন্ধনের মাধ্যমে। কিন্তু শান্তিপূর্ণ মানববন্ধন, প্রতিবাদ সভায় কোন রাজনৈতিক ক্ষমতা এসে সেটাকে বিকৃতি করতে পারে না। আমাদের সকলের জানা ২৯শে জুলাই ২০১৮ সালের আলোচিত একটি ঘটনা। রাজধানীর কুর্মিটোলায় উড়াল সেতুর ঢালে বাসের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা দুই শিক্ষার্থীকে চাপা দেয় জাবালে নূর পরিবহনের একটি বাস।এতে দুই শিক্ষার্থী নিহত ও বেশ কয়েক জন আহত হয়। সাধারণ শিক্ষার্থীরা তখন শান্তিপূর্ণ আন্দোলন করছিল, তাদের সেই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে, ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির রাজনৈতিক রং লাগিয়ে সুবিধা নিতে চেয়েছিল সেটা দেশবাসি সকলেই অবগত। এখন সেই ছাত্রদল ও ছাত্রশিবির ও বামাতি সংগঠন মিলে ধর্ষনের বিচারের দাবিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি পোড়ানো, জাতির পিতার মুজিব কোটে আগুন লাগিয়ে উল্লাস করে, শেখ হাসিনার পদত্যাগ চায়। আসলে তারা কি চান সেটা পরিষ্কার। যে কোন ঘটনাকে কেন্দ্র করে একটি কুচক্রী মহল সরকারের ওপর দোষ চাপানোর চেষ্টা করে রাজনৈতিক হলিখেলা শুরু করেছে। যাদের উদ্দেশ্য সঠিক বিচার নয়। তাদের উদ্দেশ্য হল সঠিক বিচারকে বাধাগ্রস্ত করা। আজ যারা রাজনৈতিক রং লাগানোর চেষ্টা করে যাচ্ছেন তারাও সমান অপরাধী।

মীর তোফাজ্জল হোসেন,

লেখক, কলামিস্ট ও সাবেক ছাত্রনেতা।